বারোটা উত্তর।
চল্লিশটা ফর্ম।
যত জায়গায় কাজ করেছেন, প্রতিটির জন্য একটা বোর্ড: কোম্পানি, শহর, স্ট্যাক, সময়কাল আর বর্ণনার অনুচ্ছেদ। আর প্রতিটি ফর্ম জানতে চায় একই জিনিস — শুধু নিজের মতো ক্রমে।
যে লেখা বারবার টাইপ করতে হয়, তা এখন এক ক্লিকেট্যাপে বেরিয়ে আসে। যেখানেই পেস্ট করুন, ঢোকে শুধু অক্ষরগুলো — ফন্টও নয়, পটভূমিও নয়। পরে সাফ করার কিছু থাকে না।
পেস্ট করলে ফন্টও যায় না, রংও না, আকারও না। কোনো ইমেইল বা নথির বিন্যাস নষ্ট করার মতো কিছুই থাকে না।
একটা বোর্ড খোলা রাখুন, Face ID-র পিছনে লক করুন, কিংবা কেবল আপনার জানা পাসফ্রেজ দিয়ে সিল করে দিন।
সব প্ল্যাটফর্মে একটাই অ্যাপ, App Store-এও একটাই পাতা। ফোনে আনলক করলে Mac-এও আনলক — আর ফ্যামিলি শেয়ারিং তা গোটা বাড়িতে পৌঁছে দেয়।
এগুলো সত্যিকারের বোর্ড। পড়তে চাইলে তালিকায় গুটিয়ে নিন, এক নজরে দেখতে চাইলে আবার ছড়িয়ে দিন। আর যেকোনো ব্লকে ক্লিক করলেই কপি — ঠিক যেমন অ্যাপে।
যত জায়গায় কাজ করেছেন, প্রতিটির জন্য একটা বোর্ড: কোম্পানি, শহর, স্ট্যাক, সময়কাল আর বর্ণনার অনুচ্ছেদ। আর প্রতিটি ফর্ম জানতে চায় একই জিনিস — শুধু নিজের মতো ক্রমে।
যে বিল্ড ফ্ল্যাগ কিছুতেই মনে থাকে না। স্টেজিং মেশিনের ঠিকানা। যে এক লাইন জিনিসটা ঠিক করে দেয়। শেলের ইতিহাস উল্টো দিকে হাতড়ানোর বদলে দুটো ক্লিক।
jpaste লেখাকে লেখাই থাকতে দেয়। Mail, Slack বা কোনো ওয়েব ফর্মে পেস্ট করুন — সঙ্গে কিছুই যায় না: ফন্ট নয়, রং নয়, আকার নয়। পরে পরিষ্কার করার কিছু থাকে না।
যা-ই পেস্ট করুন, পৌঁছায় সাদামাটা টেক্সট হয়ে
কেবল আপনার জানা পাসফ্রেজ দিয়ে সিল করা বোর্ড, সংরক্ষণে পৌঁছানোর আগেই এনক্রিপ্ট করা। অতিথিদের ওয়াই-ফাই, দরজার কোড, একটা লাইসেন্স কি। খুলতে বোর্ডে ট্যাপ করুন।
একটা লাইন কপি করুন, পেস্ট করুন — আর তার পিছু পিছু চলে আসে ফন্ট। আকারও। কখনও পটভূমির রংও। লেখার বদলে আপনি বসে বসে সাজসজ্জা সাফ করেন। কোড এডিটরে তো আরও মজা। jpaste দেয় অক্ষরগুলো — আর কিছু নয়।
সবারই চাই একটা অ্যাকাউন্ট, একটা ইমেইল, ‘সামান্য একটু নামহীন ব্যবহারের তথ্য’। আমি চাই আমার লেখা আমারই থাকুক — আর আমি বোধহয় একা নই। তাই খোলার কিছু নেই, খোলার জায়গাও নেই: আমার সার্ভার বলে কিছু নেই। আপনার স্নিপেট থাকে আপনার যন্ত্রে আর আপনার নিজের iCloud-এ।
নিজের লেখা রাখার জায়গা সেবা নয়, যন্ত্র। একবার কিনে এক বছর পরেও সেটা ব্যবহার করে যেতে চেয়েছিলাম, সেদিন যে যন্ত্র হাতে থাকে তাতেই। একবারের পেমেন্ট — আর তাতেই Mac, iPhone আর iPad একসঙ্গে। পরে যেগুলো কিনবেন, সেগুলোও।
সবটাই যায় আপনার নিজের ব্যক্তিগত iCloud-এর ভেতর দিয়ে — আপনার অ্যাকাউন্ট, আপনার যন্ত্র। মাঝখানে আমাদের সার্ভার নেই, কারণ আমাদের সার্ভার বলে কিছুই নেই। সিঙ্কের আলাদা খরচ নেই: টাকায় বাড়ে স্নিপেটের সংখ্যা, সুবিধা নয়।
jpaste-এর কোনো ব্যাকএন্ড নেই — ছোট্ট একটাও নয়, লগ রাখার একটাও নয়, ‘শুধু পরিসংখ্যানের জন্য’ একটাও নয়। স্নিপেট থাকে আপনার যন্ত্রে আর আপনার নিজের iCloud-এ। এর বাইরে ওরা কোনোদিন ছিল না।
অ্যাকাউন্ট খোলার দরকার নেই। ইমেইল দেওয়ারও নয়, টেলিমেট্রি কোথায় বন্ধ হয় তা খোঁজারও নয়। স্নিপেট থাকে আপনার যন্ত্রে আর আপনার নিজের iCloud-এ — এর বাইরে ওরা কোনোদিন ছিল না। আমদানি ও রপ্তানি আসবে পরের সংস্করণে; ততদিন আপনার সংগ্রহ কোথাও ফাইল হয়ে নেই। এটাই এর উদ্দেশ্য — আর আপাতত এর সীমাও।
প্রথম ২০টি স্নিপেট বিনামূল্যে, আর তা বিনামূল্যেই থাকবে। বাকিটা একবার খুলে নিন — তারপর তা আপনার প্রতিটি Mac, iPhone আর iPad-এ খোলা। পরে যেগুলো কিনবেন, সেগুলোতেও।